হিরের আংটি - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় (অদ্ভুতুড়ে - ০৮)




কাহিনী সংক্ষেপ : লোকেদের লক্ষ করাই ষষ্ঠীর আসল কাজ। লোকটা বোকা না চালাক, সাহসী না ভীতু, গরিব না বড়লোক এসব আগে লক্ষ করে নিতে হয়। তারপর কাজে হাত দিতে হয়... মূলত ষষ্ঠীর কাজ হলো দুনিয়ার বোকাসোকা লোকদের ট্যাঁক ফাঁক করা। চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, গুম আর যখম সে নেহাত কম করেনি। এখন খুনটাই শুধুমাত্র বাকি। তবে এবার বোধহয় খুন-টুনেও হাত দিতে হবে, দিনকাল যা পড়েছে...
গাঁয়ে এক নতুন ছোকরা এসেছে। দেখতে খানিকটা বোকাসোকাই মনে হয়। গায়ের কাপড় তেমন একটা কহতব্য নয়। উর্ধ্বাঙ্গে একটা রংচটা হলুদ পাঞ্জাবি আর নিম্নাঙ্গে একটা আলিগড়ী পাজামা। তবে ছোকরার শরীর বেশ দশাসই দেখতে। হাতে একটা আংটিও দেখা যাচ্ছে। ওকি, হিরের আংটি না তো? ষষ্ঠীর পরের টার্গেট এই ভ্যাবলা দেখতে ছোকরাটা...
হাবলু, রতন বাডুজ্যের নাতি। সেই ভোর চারটে দাদুর ডাকে ঘুম থেকে উঠে গঙ্গাস্নান করে দৈনন্দিন পুজো অর্চনা শেষে পাঠে বসতে হয়। তবে হাবলু দারুণ ভদ্র একটা ছেলে। ওদিকে হাবলুর দাদু রতন বাডুজ্যের নাম শুনলেই পাঁড়ার সবার হাড়-কাঁপুনি উঠে জ্বর আসার যোগাড় হয়ে যায়। রতনবাবু মানুষ ভালো। তবে তাঁর চাহনিটাই সব সমস্যার মূলে। তাকালে মনে হয় অন্তরাত্মা ভেদ করে দৃষ্টি ঢুকে যাচ্ছে... কিন্তু গাঁয়ে হঠাৎ জুড়ে এসে বসা ছেলেটা আসাতেই নতুন ঘটনার সূত্রপাত ঘটতে লাগল রতন বাডুজ্যের ঘরে। জানা গেল কিংবদন্তীর আংটির রহস্য... (খালিদ মাহমুদ)


ই-বুকটি তৈরি করেছেন : শুভম


ডাউনলোড : Epub Or Mobi Or PDF


সতর্কতা : বইটি শিশু-কিশোররা পড়বে এটাই আমাদের মৌলিক উদ্দেশ্য। এখানে আমার কোনো ব্যক্তিগত কিংবা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য নেই। আমি শুধু চেষ্টা করেছি সবচেয়ে সহজ উপায়ে একটি বই শিশু-কিশোরদের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার। যদি কোনো ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান কোনো অসৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই বইটি ডাউনলোড করে থাকেন এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত ও বিপণন করে থাকেন, তবে পরবর্তীতে কপিরাইট সংক্রান্ত সমস্ত দায়ভার ডাউনলোডকারীর। কোনোভাবেই সেই দায়ভার শিশু-কিশোর.অর্গ বহন করবে না। সুতরাং বই ডাউনলোড করুন, শেয়ার করুন, নিজে আলোকিত হোন, অন্যকে আলোকিত করুন। বাংলা ভাষায় সাহিত্য বিস্তারে শিশুদের মধ্যে অনুপ্রেরণা জাগান।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

হোম